ফেসবুক নিয়ন্ত্রণ করলে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করবে: জাকারবার্গ

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, ফেসবুকের কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা হলে সেটি মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করবে।

জার্মানির মিউনিখে নিরাপত্তা বিষয়ক এক সম্মেলনে এ কথা বলেন।

এ বিষয়ে তিনি জাকারবার্গ চীনের উদাহরণ দেন।

ফেসবুকে বিপজ্জনক অনলাইন কন্টেন্ট বন্ধে বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আরও কঠোর আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান মার্ক জাকারবার্গ।

মার্ক জাকারবার্গ বলেন, কোনো বক্তব্য আইনসম্মত ও বৈধ কিনা সেটি বিচার করা ফেসবুকের মতো কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়।

অনলাইনে মিথ্যা খবর ও গুজব ছড়ানো বন্ধের জন্য ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে। আর রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন বিষয়ে ফেসবুকের নীতির কারণে সংস্থাটি ব্যাপক সমালোচনার শিকার হয়েছে।

যে কারণে ওই সম্মেলনে জাকারবার্গ আইন কঠোর করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

সমাজে সমতার ভারসাম্য রক্ষার কাজটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বদলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নেবে এমনটা চাই না আমরা। মি. জাকারবার্গ সরকারকেই সামাজিক মাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান।

তিনি মনে করেন, বর্তমানে প্রচলিত টেলিকম ও মিডিয়া কোম্পানি আইনের মিশেলে হতে পারে সেই আইন। এ ধরনের একটি আইন প্রণয়ন হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা আমাদের সর্বোচ্চটুকু করতে থাকব।

অন্যদিকে, যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া ও বিপজ্জনক কন্টেন্ট তৈরি করে তারাও নিজেদের পরিচয় গোপন করতে, আইপি অ্যাড্রেস লুকিয়ে রাখার কাজে ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

আর এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৩৫ হাজার কর্মীর একটি দল রয়েছে ফেসবুকের, যাদের কাজ প্রতিটি কন্টেন্টের মূল্যায়ন এবং এর নিরাপত্তার দিকটি খতিয়ে দেখা।

কৃত্রিম বুদ্ধির সাহায্যে সংস্থাটি প্রতিদিন ১০ লাখের বেশি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে।

এ দিকে, ফেসবুকের নানামুখী সমালোচনার মধ্যেই এর সহযোগী প্ল্যাটফর্মসমূহ যেমন মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রামে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ও এ থেকে আয় বেড়ে চলছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *